Jay 9 শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটা লক্ষাধিক বাংলাদেশি মানুষের বিনোদন ও উত্তেজনার একটা নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। কীভাবে শুরু হয়েছিল, কী লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি — সব জানুন এখানে।
"বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদে, আনন্দের সাথে এবং নিজের ভাষায় অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারেন — এটাই Jay 9-এর মূল প্রতিশ্রুতি।"
আমরা বিশ্বাস করি বেটিং একটি বিনোদন, এবং প্রতিটি বিনোদনে থাকা উচিত স্বচ্ছতা, সততা ও দায়িত্ববোধ। তাই শুরু থেকেই আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছি যেখানে খেলোয়াড়ের অর্থ, তথ্য ও অভিজ্ঞতা সমানভাবে সুরক্ষিত।
বাংলাদেশের বেটিং বাজারে অনেক নাম আছে, কিন্তু jay 9-এর বিশেষত্ব হলো আমরা আমাদের ব্যবহারকারীকে সত্যিকার অর্থে বুঝি এবং তাঁদের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিই।
বাংলাদেশের ৮০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে অনলাইনে আসেন। তাই jay 9 প্রথম দিন থেকেই মোবাইলকে প্রথমে রেখেছে। Android ও iOS অ্যাপ, লো-ডেটা মোড, ৩জিতেও মসৃণ অভিজ্ঞতা — সব কিছু আপনার হাতের মুঠোয়।
গেমের নাম থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট পর্যন্ত — সব কিছু বাংলায়। অনেক বিদেশি বেটিং সাইট ইংরেজিতে পরিচালিত, কিন্তু jay 9 বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায় কথা বলে।
বিদেশি ব্যাংক কার্ড বা ক্রিপ্টো লাগবে না। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় — বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো সরাসরি কাজ করে jay 9-এ। সর্বনিম্ন ৳১০০ থেকে শুরু।
Curacao eGaming-এর আন্তর্জাতিক লাইসেন্স, ২৫৬-বিট SSL, দুই-স্তরের যাচাইকরণ — আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ। প্রতিটি গেমের RTP প্রকাশ্যে দেখানো হয়।
রাত ২টায় সমস্যা হলেও সমাধান পাবেন। jay 9-এর সাপোর্ট টিম সারাদিন-সারারাত বাংলায় লাইভ চ্যাটে, ইমেইলে ও হোয়াটসঅ্যাপে সহায়তা করেন। গড় সমাধানের সময় ৩ মিনিট।
বেটিং একটি বিনোদন, আসক্তি নয়। jay 9-এ ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো সুবিধা আছে যা আপনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
২০২১ সালের শুরুর দিকে, বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং সাইটের সংখ্যা বাড়লেও একটা বড় সমস্যা ছিল — বেশিরভাগ সাইটই ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে পরিচালিত, এবং বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করত না। একজন ঢাকার ক্রিকেটপ্রেমী বিকাশে টাকা জমা করতে পারতেন না, বাংলায় সাপোর্ট পেতেন না। এই শূন্যতাটাই ছিল jay 9-এর জন্মের কারণ।
প্রতিষ্ঠাতা দল একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের পরিবেশে, একটি সম্পূর্ণ বেটিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা। প্রথম কয়েক মাস শুধু পেমেন্ট সিস্টেম ঠিক করতে সময় গেছে। বিকাশ, নগদ, রকেটের সাথে সংযোগ স্থাপন — এটা সহজ ছিল না, কিন্তু এটাই সবচেয়ে জরুরি ছিল।
২০২২ সালে যখন jay 9 লাইভ বেটিং চালু করল, তখন প্রথম মাসেই ৫০,০০০ নিবন্ধন হয়। কারণটা সহজ — বাংলাদেশ বনাম ভারতের একটা রোমাঞ্চকর ম্যাচে মাঠে বসে বিকাশে টাকা দিয়ে বেট করার সুবিধা এর আগে কোথাও ছিল না। সেই অনুভূতিটা তৈরি করতে পেরেছি বলেই মানুষ আমাদের বিশ্বাস করেছেন।
বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট সমর্থনসহ বেসিক স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালু। প্রথম মাসে ১০,০০০ নিবন্ধন।
রিয়েল-টাইম লাইভ বেটিং, ৩০০+ স্লট ও লাইভ ক্যাসিনো চালু। Curacao eGaming লাইসেন্স প্রাপ্তি।
নেটিভ মোবাইল অ্যাপ লঞ্চের পর ডাউনলোড ছাড়াল ২ লক্ষ। ক্র্যাশ গেম ও ফিশিং গেম বিভাগ যোগ।
গেমের সংখ্যা ৫০০ ছাড়ায়, চার স্তরের VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু। সক্রিয় সদস্য ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি, উন্নত নিরাপত্তা ও আরও বেশি বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে jay 9।
অনেক বেটিং কোম্পানি শুধু সংখ্যার দিকে তাকায় — কতজন নিবন্ধন করল, কত টাকা ডিপোজিট হলো। কিন্তু jay 9-এ আমরা সত্যিকার অর্থে জানতে চাই আমাদের ব্যবহারকারীরা কে। একজন চট্টগ্রামের রিকশাচালক যিনি বিকাশে ৳১০০ দিয়ে ক্রিকেট বেট করেন, আর একজন ঢাকার তরুণ যিনি লাইভ ক্যাসিনো খেলেন — দুজনের অভিজ্ঞতাই আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতি মাসে আমরা ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক সংগ্রহ করি। কোন গেমটা বেশি পছন্দ, কোন পেমেন্টে সমস্যা হচ্ছে, সাপোর্ট টিম কত দ্রুত সাড়া দিচ্ছে — এই তথ্যগুলো দিয়েই আমরা প্ল্যাটফর্ম উন্নত করি। কোনো বড় পরিবর্তনের আগে নিয়মিত ব্যবহারকারীদের মতামত নেওয়া হয়।
Jay 9 Curacao eGaming কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত — এটি বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত অনলাইন গেমিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর একটি। এই লাইসেন্স পেতে হলে প্ল্যাটফর্মের আর্থিক স্বচ্ছতা, খেলোয়াড় সুরক্ষা নীতি এবং ন্যায্য গেমিং নিশ্চিত করতে হয়। প্রতিটি গেমের র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) তৃতীয় পক্ষের অডিটর দ্বারা পরীক্ষিত।
আমাদের নীতি পরিষ্কার — কোনো গেম ম্যানিপুলেট করা হয় না, পেমেন্টে কোনো লুকানো চার্জ নেই, এবং বোনাসের শর্ত সবসময় স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। যদি কোনো সমস্যা হয়, আমাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অভিযোগ করার অধিকার প্রতিটি ব্যবহারকারীর আছে।
প্রতিটি ফিচার সর্বোচ্চ মানের নিশ্চিত করা।
প্রতিটি লেনদেনে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা।
খেলোয়াড়ের কল্যাণ সবার আগে।
প্রযুক্তিতে সবসময় এগিয়ে থাকা।
সবার জন্য সমান সুযোগ ও সেবা।
তথ্য সুরক্ষায় শূন্য আপোষ।
আমাদের দলে আছেন অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ, ফিনটেক পেশাদার এবং কাস্টমার সার্ভিস বিশেষজ্ঞ।
১০+ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশি পেমেন্ট ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ।
সাইবার সিকিউরিটি ও মোবাইল ডেভেলপমেন্টে বিশেষজ্ঞ। Jay 9 অ্যাপের মূল স্থপতি।
গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ৮ বছর। গেম নির্বাচন ও পার্টনারশিপের দায়িত্বে।
৫০ জনের বাংলা সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি নিশ্চিত করেন।
Jay 9-এ দায়িত্বশীল গেমিং কোনো বাড়তি সুবিধা নয় — এটা আমাদের মূল নীতির অংশ। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি সদস্য মজা করুন, কিন্তু সীমার মধ্যে থেকে।